কারাগারেই মারা গেল মিয়ানমারের এক নেতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।
মিয়ানমারে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হওয়া এক এএলডি নেতার কারাগারে মৃত্যু হয়েছে। তবে, ঠিক কি কারণে তার মৃত্যু হয়েছে সে বিষয়ে কিছু জানা না গেলেও, তার কাপড়ে রক্তের দাগ পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে। এর মধ্যেই, মিয়ানমারজুড়ে রোববারও (০৭ মার্চ) অব্যাহত ছিল জান্তা সরকারবিরোধী বিক্ষোভ।

এদিনও, কয়েকটি শহরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। এদিকে, মিয়ানমারের চলমান সংকট নিরসনে গঠনমূলক ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে চীন।

গেল কয়েকদিনের ধারাবাহিকতায় রোববারও দিনভর উত্তপ্ত ছিল মিয়ানমারের প্রধান শহরগুরোর রাজপথ। নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে এদিনও সকাল থেকে অভ্যুত্থানবিরোধী আন্দোলনকারীরা বিক্ষোভের চেষ্টা করলে, পুলিশ বাধা দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এদিনও ফাকা গুলি ও টিয়ার শেল ছোঁড়ে দাঙ্গা পুলিশ। এসময়, দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে আহত হন বেশ কয়েকজন। চলে ধরপাকড়ও।

এর মধ্যেই, চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে মিয়ানমারের চলমান সংকট নিরসনে কার্যকর ও গঠনমূলক ভূমিকা রাখবে বেইজিং। রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই।

তিনি বলেন, মিয়ানমারের সঙ্গে আমাদের যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিরাজমান সেটা দেশটির জনগণের জন্যই। অনেক বছর ধরেই দেশটির বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সরকারের সঙ্গে আমরা বন্ধু সুলভ আচরণ করে আসছি। পরিস্থিতি যাই হোক, মিয়ানমারের প্রতি সহযোগিতামূলক সম্পর্ক থেকে আমরা কখনোই পিছু হটবোনা।

এদিকে, সেনা অভ্যুত্থানের পর নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে গ্রেফতার হওয়ার এক এনএলডি নেতার পুলিশি হেফাজতে মৃত্যু হয়েছে। রোববার, তার মৃতদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হলেও, ঠিক কি কারণে তার মৃত্যু হয়েছে সে বিষয়ে কিছু জানা না গেলেও, তার শরীরের কাপড়ে রক্তের দাগ পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে। জিজ্ঞাসাবাদেরে সময় পুলিশি নির্যাতনে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন দেশটির মানবাধিকার কর্মীরা।