লড়াই করেও আফগানদের রুখতে পারল না জিম্বাবুয়ে

স্পোর্টস ডেস্ক।।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সংযুক্ত আরব আমিরাতে সিরিজের প্রথম টেস্টে দুই দিনেই হারের লজ্জায় ডোবে আফগানিস্তান। তবে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ঘুরে দাঁড়িয়েছে তারা। আবু ধাবিতে জিম্বাবুয়েকে ৬ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে সমতা এনেছেন রশিদ খানরা।

ম্যাচে দুর্দান্ত ক্রিকেট খেলেছে আফগানিস্তান। আবার সহজেই হারের পথে থাকা জিম্বাবুয়ে করেছে দুর্দান্ত লড়াই। চতুর্থ দিনেই যে টেস্টে ইনিংস ব্যবধানে হারের শঙ্কা ছিল জিম্বাবুয়ে। সেই টেস্ট তারা লিড নিয়েছে। হেরেছে পঞ্চম দিন শেষ সেশনে।

অধিনায়ক শন উইলিয়ামসের সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রিপানো কিংবা ব্লেজিং মুজুরাবানি আরেকটু লড়াই দিতে পারলে টেস্টটা ড্রও হয়ে যেতে পারতো।

দুবাই টেস্টে শুরুতে ব্যাট করে প্রথম ইনিংসে ৪ উইকেটে ৫৪৫ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে আফগানিস্তান। দলের হয়ে ওপেনার ইব্রাহিম জাদরান করেন ৭২ রান। চারে নেমে হাসমতউল্লাহ শাহেদি দেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে আন্তর্জাতিক টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি করার কীর্তি গড়েন। পুরোপুরি ২০০ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন তিনি। এছাড়া অধিনায়ক আসগর আফগান ১৬৪ রান করেন। নাসির জামালের ব্যাট থেকে আসে হার না মানা ৫৫ রান।

জবাব দিতে নেমে প্রথম ইনিংসে ২৮৭ রানে অলআউট হয়ে যায় জিম্বাবুয়ে। ওপেনার প্রিন্স মাসভুরে খেলেন ৬৫ রানের ইনিংস। অন্য ওপেনার কেভিন কাসুজা ও তিনে নামা তারিসাল মাসুকানডা ৪১ করে রান করেন। এরপর ধস নামে জিম্বাবুয়ে শিবিরে। মিডল অর্ডারে সিকান্দার রাজা ৮৫ রানের ইনিংস খেলে দলকে ভরসা দেন। তারপরও ২৫৮ রানে পিছিয়ে থেকে ফলোঅনে পড়ে জিম্বাবুয়ে।

দ্বিতীয় ইনিংসে আবার ১০৪ রানে ৪ এবং ১৪০ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ইনিংস হারের চোখ রাঙানির মুখে পড়ে জিম্বাবুয়ে। অধিনায়ক শন উইলিয়ামস তখন খেলেন ১৫১ রানের হার না মানা ইনিংস। তাকে সঙ্গ দিয়ে বোলার ডোনাল্ড ট্রিপানো ৯৫ রান করেন। ট্রিপানো-উইলিয়ামস জুটিতে আশা দেখছিল জিম্বাবুয়ে। কিন্তু রশিদ খান তাদের সেই আশা ভেঙে দেন। শেষ পর্যন্ত ৩৬৫ রানে অলআউট হন তারা।

জয়ের জন্য আফগানিস্তানের সামনে দুই সেশনে দাঁড়ায় ১০৮ রান। চার উইকেট হারিয়েই সেই লক্ষ্যে পৌছে যান রহমান শাহরা। দ্বিতীয় ইনিংসে রহমত করেন ৫৮ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে ৭ উইকেট নিয়ে রশিদ খান একাই ধসিয়ে দেন জিম্বাবুয়েকে। প্রথম ইনিংসে তিনি নেন ৪ উইকেট।