কেউ ইচ্ছে করে ক্যাচ ছাড়ে না: তামিম

স্পোর্টস ডেস্ক।।
নিউজিল্যান্ডের মাটিতে তাদের বিপক্ষে ১৫তম ওয়ানডেতে অবশেষে জয়ের সুবর্ণ সুযোগ এসেছিল বাংলাদেশ দলের সামনে। কিন্তু ফিল্ডারদের তৈলাক্ত হাতের কারণে সেই সুযোগ কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি। নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক টম লাথামের ক্যাচ ছাড়েন শেখ মেহেদি হাসান এবং জিমি নিশামকে জীবন দেন মুশফিকুর রহীম।

এ দুজন মিলে পঞ্চম উইকেট জুটিতে যোগ করেন ৭৬ রান। জয়ের জন্য যখন মাত্র ২০ রান বাকি, তখন ৩৪ বলে ৩০ রান করা নিশামকে সাজঘরে ফেরান মোস্তাফিজ। কিন্তু ততক্ষণে হয়ে যায় বড্ড দেরি। ড্যারেল মিচেলকে নিয়ে ম্যাচ শেষ করে ফেরেন লাথাম। ক্যারিয়ারের পঞ্চম সেঞ্চুরিতে দলকে জেতানোর পাশাপাশি ম্যাচসেরার পুরস্কারও জিতেছেন তিনি।

জীবন পাওয়ার পর নিশাম করেন আরও ২৭ রান, লাথামের ব্যাট থেকে আসে ৫২ রান। অর্থাৎ দুইটি ক্যাচ ছাড়া মাশুল দিয়ে বাড়তি ৭৯ রান গুনেছে বাংলাদেশ। এছাড়া পুরো ম্যাচজুড়েই ছিল ফিল্ডিং মিসের মহড়া। সবমিলিয়ে ২৭১ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করিয়েও ফিল্ডিংয়ের ব্যর্থতায়ই ৫ উইকেটে হারতে হয়েছে টাইগারদের।

ম্যাচ শেষে নিজের দলের খেলোয়াড়দের পাশে দাঁড়িয়েছেন অধিনায়ক তামিম ইকবাল। তিনিও বিশ্বাস করেন ম্যাচটি জেতার উচিত ছিল বাংলাদেশের কিন্তু সুযোগ কাজে লাগাতে না পারায় হারতে হয়েছে শেষপর্যন্ত। ফিল্ডারদের প্রতি নিজের সমর্থনও প্রকাশ করেছেন তামিম।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, ‘আমাদের এই ম্যাচটি জেতা উচিত ছিল। বোলাররা সুযোগ তৈরি করেছে, আমরা সেগুলো কাজে লাগাতে পারিনি। বিশেষ করে ক্যাচ ড্রপগুলো… আপনি জানেন, যখন এমন পরিস্থিতি আসে তখন সবকিছু শতভাগ নিখুঁতভাবে করতে হবে। আজকের দিন দেখে হতাশ।’

আজকের খেলায় উন্নতির ছাপ দেখেছেন তামিম, ‘আমার মতে, আজকে আরও ভালো খেলেছি আমরা। তবে আমরা এখানে উন্নতি করতে আসিনি, জিততে এসেছি। ক্যাচ ড্রপ হতেই পারে, এটা খুব কষ্ট দেয়। আমরা যদি ক্যাচ দুইটি নিতাম, ম্যাচ ঘুরে যেত। কেউই ইচ্ছা করে ক্যাচ ছাড়ে না। এটা যে কারও সঙ্গেই হতে পারে। যখন পরের সুযোগ আসবে, আমাদের তা লুফে নিতে হবে।’

এসময় ব্যাটসম্যানদের বাহবা দিয়ে টাইগার অধিনায়ক বলেন, ‘ব্যাটসম্যানরা সত্যিই ভালো করেছে। আজকের উইকেট ভিন্ন ছিল, খানিক ধীরগতির ছিল। এখানে ২৭১ রানের সংগ্রহ বেশ ভালো ছিল। মিঠুন অসাধারণ ছিল, মুশফিকও ভালো করেছে। কিন্তু যখন সুযোগ এলো, সেগুলো নিতে পারলাম না। হতাশাজনক।’