মজুচৌধুরী ট্রলারঘাটে জিম্মি ভোলার ঘরফেরা মানুষ

গাজী মো. তাহেরুল আলম।।
লক্ষীপুর মজুচৌধুরী ফেরিঘাটসংলগ্ন এই সেই অবৈধ ট্রলার ও স্পিড ঘাট। যেখানে লকডাউনে নিরুপায় ভোলার বাড়ি ফেরা মানুষকে জিম্মি করে মেঘনা নদী পারাপারের নামে হাতিয়ে নেয়া হয় মোটা অংকের টাকা।

সরেজমিন দেখা যায়, ট্রলারে নদী পার হতে জনপ্রতি ৪০০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা এবং স্পিডবোটে জনপ্রতি ৫০০ টাকা থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত নেয়া হয়।

এদিকে স্থানীয় আওয়ামী লীগের লোকজন ফেরিতে এসব যাত্রীদেরকে উঠতে বাঁধা দেয় এবং শারীরিক ভাবে নির্যাতন চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। গত ৩০ এপ্রিল, শুক্রবার এই প্রতিনিধির হাফেজী পড়ুয়া ছোট মেয়েকে নিয়ে অসহায়ের মতো মজুচৌধুরী ট্রলারঘাটে আরো অসংখ্য যাত্রী নিয়ে জিম্মি হয়ে পড়েন।

তিনি বলেন, “অবর্ণনীয় দুর্ভোগের মধ্যে এই ঘাটে তথাকথিত দায়িত্বশীলদের মন গলাতে আমরা যাত্রীরা চরমভাবে ব্যর্থ হয়ে অবশেষে স্পিডবোটে ভোলার ইলিশা আসি। আমাদের থেকে জনপ্রতি সাড়ে ৬ শত টাকা করে নেয়া হয়। কিন্তু সাথের জনৈক প্রবাসীকে তিনগুণ টাকা দিতে বাধ্য করে।”

সরকার লকডাউনে বাড়িমুখো মানুষকে জীবন জীবিকার প্রশ্নে সংশ্লিষ্ট সকলকে সহনীয় ও নমনীয় হতে বললেও ভোলার মজুচৌধুরী ফেরিঘাট এর ব্যতিক্রম। এখানে পদে পদে নিরীহ অসহায় মানুষের প্রতি জুলুম নির্যাতন চলছে। এখানে বিচারের বাণী নিভৃতে কাঁদে, দেখার যেনো কেউ নেই।