তিল ধারণের ঠাই নেই বরিশালের বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে

অনলাইন ডেস্ক।।
মহামারি করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি উপক্ষো করে ঈদের পরের দিন থেকে উন্মুক্ত বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। কারো মধ্যেই নিরাপদ শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার কোনো আগ্রহ দেখা যায়নি। আবার যার মন চেয়েছে তিনি মাস্ক পরেছেন, যার মন চায়নি তিনি পরেননি।

যদিও উন্মুক্ত বিনোদনকেন্দ্র বিশেষ করে পার্কগুলোতে সমাগমরোধে কঠোর দিক-নির্দেশনা দিয়েছিলো জেলা প্রশাসন। আর তাই সরকারি-বেসরকারি নিয়ন্ত্রিত পার্কগুলো বন্ধও রয়েছে।

ঈদের পরের দিন ও রোববার নগর ঘুরে দেখা গেছে, দুপুরের পর থেকেই নগরের বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে মানুষের সমাগম ঘটতে থাকে। ঈদের দিন বিকেলে নগরের বঙ্গবন্ধু উদ্যান, শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত সেতু, ত্রিশ গোডাউন থেকে চাঁদমারি কলোনী এলাকা পর্যন্ত নদীর তীরে হাজারো মানুষের সমাগম ঘটে। মানুষের সমাগম ঠেকাতে দুপুর থেকে বেশ কিছু বিনোদনকেন্দ্রে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা থাকলেও বিকেল নাগাদ তা অনেকটাই মন্থর হয়ে যায়। তবে, বিপুল পরিমান মানুষের ভিড়ে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত হতেই দেখা গেছে।

নগরের ত্রিশ গোডাউন এলাকায় ঘুরতে যাওয়া এক ব্যবসায়ী বলেন, ঈদ উৎসবের এ সময়টাতে পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধুবান্ধব মিলে ঘুরতে যাওয়া একটি ট্রেডিশন। তবে, করোনা মহামারির কথা মাথায় রেখে এই সময়টাতে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা উচিত। কিন্তু কেউ মানছে আর কেউ মানছে। গাদাগাদির মধ্যেই সবাই ঘোরাফেরা করছেন, যেখানে কারো মাস্ক আছে কারো নেই।

তিনি বলেন, ত্রিশ গোডাউন এসে সব থেকে আশ্চর্যজনক বিষয় দেখলাম, সাজগোজ নষ্ট হওয়ার শঙ্কায় কিছু তরুণী মুখে মাস্ক ব্যবহার করছেন না, আর যেসব যুবক ধুমপায়ী তারাও মাস্ক ব্যবহার করছেন না। আর এরা হাসি-ঠাট্টা থেকে শুরু হাঁচি-কাশিও স্বাস্থ্যবিধির নিয়মানুযায়ী দিচ্ছে না।