পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে টাকা হাতিয়ে শ্রীঘরে যুবক

কুয়াকাটা প্রতিনিধি, পটুয়াখালী॥
থানার ওসির নাম ভাঙ্গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ধরে আনা কথিত আসামীকে ছাড়িয়ে নিতে ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়ে প্রতারক শেষ পর্যন্ত পুলিশের জালে ধরা পড়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে পটুয়াখালী জেলার মহিপুর থানায়।

পুলিশ ও প্রতারণার শিকার হওয়া পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ২১ মে সকালে মহিপুর থানার কুয়াকাটা পৌরসভার কচ্ছপখালী এলাকা থেকে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর নিহত ওই যুবকের বাবা বাদী হয়ে মহিপুর থানায় অজ্ঞাত আসামী দিয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় পুলিশ কচ্ছপখালীর পার্শবর্তী গ্রাম মুসুল্লীয়াবাদের আঃ মান্নান নামের এক যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় ডেকে নেয়। এ সুযোগকে কাজে লাগাতে মুসুল্লীয়াবাদ গ্রামের মতলেব মুসুল্লীর ছেলে মিজান মুসুল্লী মান্নানের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করে ওসির নাম ভাঙ্গিয়ে দু’দফায় ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। পরবর্তীতে পুলিশের ডেকে আনা মান্নানের বিরুদ্ধে কোন অপরাধের প্রমাণ না পাওয়ায় তার বড় ভাই মাওঃ আবদুর রহমানের জিম্মায় ছেড়ে দেয়। এসময় মিজানের উপস্থিতিতে মহিপুর থানার ওসি মনিরুজ্জামান থানায় কোন আর্থিক লেনদেন হয়েছে কিনা জানতে চাইলে আবদুর রহমান মিজানের হাতে ৫০ হাজার টাকা দেবার কথা স্বীকার করেন। ওসি তাৎক্ষণিক মিজানকে প্রশ্ন করলে মিজান ওসির নাম ভাঙ্গিয়ে টাকা নেবার কথা স্বীকার করে ততক্ষনাৎ ৫০ হাজার টাকা ফেরৎ দেন। এভাবে প্রতারক মিজান মুসুল্লী পুলিশের জালে ধরা পড়ে। এ ঘটনায় রবিবার বিকেলে মাওঃ আবদুর রহমান থানায় একটি এজাহার দাখিল করেছেন।

মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মনিরুজ্জামান মিজান মুসুল্লীকে আটকের কথা স্বীকার করে জানান, পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে একটি পরিবারের নিকট থেকে ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে। পরে টাকা ফেরৎ দেওয়া ওই যুবকের বিরুদ্ধে থানায় আঃ রহমান নামে এক ব্যক্তি অভিযোগ দায়ের করেছেন।