মুলাদীতে পুত্রবধূকে নদীতে চুবিয়ে হত্যার সময় জনতার হাতে শাশুরী আটক

মুলাদী প্রতিনিধি।।
মুলাদীতে পুত্র বধূকে নদীতে চুবিয়ে হত্যা চেষ্টা কালে সাধারণ জনগনের হাতে আটক শাশুরী মরিয়ম বেগম।

জানা গেছে, মুলাদী সদর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের দড়িচর লক্ষীপুর (নবাবের হাট) গ্রামের কালাম বেপারী পুত্র রাজমিস্ত্রি ইব্রাহিম এর সাথে নাজিরপুর ইউনিয়নের ঘোষের চর গ্রামের কাওছার সিকদার এর কন্যা প্রিয়া আক্তার এর ইসলামী শরিয়া মোতাবেক গত ২ মাস পূর্বে বিবাহ হয়।

বিয়ের পর থেকেই শাশুরী মরিয়ম বেগম এর অমানবিক শারীরিক নির্যাতনে একাধিক বার আহত হয় নববধূ প্রিয়া আক্তার। বিষয়টি স্বামী ইব্রাহিমকে বার বার জানালেও ইব্রাহিত তার মায়ের পক্ষ নিয়ে স্ত্রীকেই অভিযুক্ত করে আসছেন। উপায়ন্ত না পেয়ে প্রিয়া আক্তার বাবার বাড়ী নাজিরপুরে যেতে চাইলে শাশুরী তাকে কিছুতেই যেতে দিচ্চেন না। গত রবিবার ( ২৩ মে) সকাল আনুমানিক ৯.৩০ মিনিটে প্রিয়া আক্তার বাবার বাড়ী যাওয়ার উদ্যোশে মুলাদী পশ্চিম তেরচর রাস্তা মাথায় খেয়া ঘাটে এসে পৌছালে পিছনে আসা শাশুরী মরিয়ম বেগম তাকে মারপিট করতে করতে নদীতে ফেলে চুবিয়ে মেরে ফেলার চেষ্টা কালে স্থানীয় সমাজ সেবক দিদারুল আহসান খান বিষয়টি দেখতে পেয়ে সেখানকার লোকজনকে নিয়ে ছুটে গিয়ে পুত্রবধু প্রিয়া আক্তার কে উদ্ধার করে মুলাদী হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

এদিকে শাশুরী মরিয়ম বেগম কে স্থানীয় লোকজন আটক করে পরিবারে খবর দিয়ে পরিবারের লোকজনকে আসতে বলেন। এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত মরিয়ম বেগম স্থানীয় লোকজনের হাতে আটক রযেছেন, পুত্র বধু প্রিয়া আক্তার মুলাদী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।