মুলাদীতে প্রশাসনকে অমান্য করে খাস জমিতে রাতের আধারে ছাদ ঢালাই

মুলাদী প্রতিনিধি, বরিশাল।।
মুলাদীর গাছুয়ায় প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে খাস জমিতে রাতের আধারে বহুতল ভবনের ছাদ ঢালাই করা হয়েছে। খাস জমি দখল মুক্ত করতে সরকার যখন বিভিন্ন পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে, ঠিক তখনই মুলাদী উপজেলার গাছুয়া ইউনিয়নের পদ্মারহাট বাজারে সরকারী পুকুরের খাস জমি দখল করে পাকা বহুতল ভবন সহ দোকান নির্মানে ব্যস্ত রয়েছে একটি ভুমি দস্যু মহল।

জানা গেছে, গাছুয়া ইউনিয়নের চরগাছুয়া গ্রামের মৃত মেছের আলী খান এর পুত্র সবুজ খান ও জামাতা শ্রীমতি গ্রামের মৃত মেছের আলী সরদার এর পুত্র মোঃ মনির হাসেন সরদার পদ্মারহাট বাজারে অবস্থিত সরকারী খাস জমির উপরে অবস্থিত একটি পুকুর যাহা বাজারের সকল ব্যবসায়ী ও মসজিদের মুসল্লিদের ব্যবহারের উপযোগী এবং বাজারের অনেকটা সৌন্দর্য্যই এই পুকুরকে ঘিরে, সেই পুকুর দখল করে সরকারী নিয়ম নীতি তোয়াক্কা না করে সেখানে আর সিসি ঢালাই করে বহুতল ভবন নির্মান করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শশুর সবুজ খান ও জামাতা মনির সরদার ডিসিআর এর নাম ভাঙ্গিয়ে দীর্ঘদিন এই জমি দখল করে আসছে। জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে সরকার বাহাদুর এর কাছ থেকে ডি সি আর এর মাধ্যমে পাওয়া সম্পত্তিতে কোন রকম পাকা বহুতল ভবন নির্মান করায় নিষেধ থাকলেও কিভাবে তারা সেই খাস সম্পত্তিতে বহুতল ভবন নির্মানের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিষয়টি জানতে পেরে তাৎক্ষনিক থানা প্রশাসন ও তহসিলদারকে সরেজমিনে পাঠিয়ে কাজ বন্ধ করার নির্দেশ দিয়ে তাদেরকে কাগজপত্র নিয়ে আসতে বলেন। ঐ ভুমিদস্যু মহলটি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশকে উপেক্ষা করে শুক্রবার কাক ডাকা ভোরে লোকজন নিয়ে সেই ভবনের ছাদ ঢালাইয়ের কাজ সম্পন্ন করে।

খবর পেয়ে সাংবাদিক ও থানা পুলিশের এস আই উজ্জল সীল ও এ এস আই সোহেল সেখানে গেলে তারা গা-ঢাকা দিয়ে থাকেন।

এব্যাপারে পদ্মারহাট বাজার কমিটির সভাপতি হারুন অর রশিদ বলেন, আমি গত ১০বছর যাবত পদ্মারহাট বাজার কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়ীত্ব পালন করছি কিন্তু আজ সরকারের নির্দেশ উপেক্ষা করে যে কাজটি এই বন্দরে হয়েছে যা মোটেও ঠিক হয়নি।

সবুজ খানের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, পদ্মারহাট বাজারে তার ১০শতাংশ জমি ডিসিআর ভুক্ত রয়েছে তাই তিনি এই ঘর নির্মান করতেছেন।