গৌরনদীতে বিজয়ী প্রার্থীর সমর্থকের পর এবার পরাজিত প্রার্থীর সমর্থক খুন

গৌরনদী প্রতিনিধি, (বরিশাল)॥
বরিশালের গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের দুই সদস্য প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে বোমা হামলায় বিজয়ী প্রার্থী ফিরোজ মৃধার চাচাতো ভাই মৌজে আলী মৃধা (৬৪) নিহত হয়। এর জের ধরে বুধবার (২৪ জুন) বিকেলে পরাজিত প্রার্থী মন্টু হাওলাদারের সমর্থকের উপর হামলা চালায় বিজয়ী প্রার্থী ফিরোজ মৃধার সমর্থকরা। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার দিবাগত রাত ১টায় বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান।

গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের দুই সদস্য প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে বোমা হামলায় বিজয়ী প্রার্থী ফিরোজ মৃধার চাচাতো ভাই মৌজে আলী মৃধা নিহতসহ ১০ জন আহত হয়। এ ঘটনায় মঙ্গলবার নিহতের ছেলে মোঃ নজরুল ইসলাম বাদি হয়ে গৌরনদী মডেল থানায় ১০১ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। বুধবার দুপুরে গৌরনদী বন্দরস্থ আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন ও হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে থানার সামনে কর্মসূচীর অয়োজন করে নিহত মৌজে আলীর ছেলে ও হত্যা মামলার বাদি নজরুল ইসলম।

কর্মসূচী পালণ করে বাড়ি ফেরার পথে বার্থী-কমলাপুর সড়কের শেষ মাথায় দক্ষিন কমলাপুর গ্রামের বেইলী বিজ্রের সামনে পরাজিত প্রার্থী মন্টু হাওলাদারের সমর্থক শাহ আলম খানের বাড়ির সামনে পৌছে ফিরোজ মৃধার সমর্থকরা খুনী মন্টু হাওলাদারের ফাঁসি চাইসহ নানান উত্তেজিত শ্লোগান শুরু করে। এ সময় বাড়ির দরজায় দাড়িয়ে পরাজিত প্রার্থী মন্টু হাওলাদারের সমর্থক শাহ আলম খানের উপর হামলা চালায় বিক্ষুব্ধরা। গুরুতরভাবে আহত অবস্থায় শাহ আলমকে বুধবার সন্ধ্যায় গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে অবস্থা বেগতিক দেখে রোগীকে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার দিবাগত রাত ১টায় শাহ আলম খান মারা যান।

গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আফজাল হোসেন শাহ আলম নিহত হওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, নির্বাচনী জের নয় তুচ্ছ ঘটনায় শাহ আলম খান আহত হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে মারা যান।