কিডনির ক্ষতি হতে পারে ওষুধেও

রূপালী স্বাস্থ্য।।
কিডনির অসুখ দুই ধরনের। হঠাৎ করে কিডনি রোগ ও ধীরগতি কিডনি রোগ। হঠাৎ করে কিডনি রোগ হলে কিছু কিছু লক্ষণ প্রকাশ পায়। কিন্তু ধীরে ধীরে কিডনির অসুখ হলে সহজে লক্ষণ প্রকাশ পায় না। যখন লক্ষণ প্রকাশ পায় তখন দেখা যায় কিডনির বেশির ভাগ অংশই ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেছে।

কিডনির অসুখের অনেক কারণের মধ্যে ওষুধ একটি। ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া জানতে কিডনির অবস্থা পরীক্ষা করা দরকার। বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক, উচ্চ রক্তচাপ, ব্যথানাশক ওষুধ সব রোগীকে দেওয়ার আগে কিডনির কার্যকারিতা অবশ্যই দেখে নেওয়ার প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে চিকিৎসকরা রোগীর রক্তের ক্রিয়েটিনিন দেখে প্রেসক্রিপশন করেন, তাহলে বহু রোগী একিউট কিডনি অকেজো রোগ থেকে রেহাই পাবে।

যে সব ওষুধ ব্যবহারে কিডনির ক্ষতি হতে পারে-
০১. অ্যান্টিবায়োটিক
০২. ব্যথানাশক
০৩. বুক জ্বালার ওষুধ
০৪. আলসার নিরাময়ের ওষুধ
০৫. অ্যান্টিভাইরাল
০৬. উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ
০৭. বাতজ্বরের ওষুধ
০৮. মানসিক রোগের ওষুধ
০৯. খিচুনি রোগের ওষুধ
১০. কেমোথেরাপি ড্রাগস
১১. ল্যাক্সেটিভস
১২. হাইপারথাইরোইডিজম- এর ওষুধ
১৩. অস্টিওপরোসিস ও হাইপারক্যালসেমিয়ার ওষুধ
১৪. এমআর আই, সিটি স্ক্যান, এনজিওগ্রাম করাতে ব্যবহৃত কনট্রাস্ট ডাই।

ডা: কে.এম. জাহিদুল ইসলাম
এমবিবিএস(ঢাকা), বিসিএস (স্বাস্থ্য)
এমএস (অর্থোপেডিক সার্জারী) অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞ ও সার্জন
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল) ঢাকা।