কাজীরহাটে পল্লী চিকৎসকের দেয়া ওষুধ খেয়ে মরতে যাচ্ছিলেন রোগী!

কাজীরহাট প্রতিনিধি।।
একজন পল্লী চিকিৎসক ৩ মাসের র্কোস করে ওষুধ ব্যবসার লাইন্সেস (সনদ) সংগ্রহ করে গ্রামগঞ্জে দোকান নিয়ে ওষুধ বিক্রি করলেই নিজেকে পরিচয় দিচ্ছে ডাক্তার। এভাবে গ্রামগঞ্জে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠেছে পল্লী চিকিৎসকদের টিকিৎসালয়। এমন এক আস্তানা থেকে ওষুধ সেবন করে এক নারী মৃত্যু শয্যায় পড়ে গিয়েছিল বলে অভিযোগ ভূক্তভোগীর স্বামীর।

ঘটনাটি ঘটেছে বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার কাজীরহাট থানাধীন ভাষানচর ইউনিয়নের হেসামদ্দী বাজারের ইসলামিয়া পল্লী চিকিৎসক বিদ্যানন্দপুর ইউনিয়নের সুলতান বেপারীর ছেলে হাতুড়ে চিকিৎসক নুরুল হক বেপারীর মাধ্যমে।

ভূক্তভোগী মোসাঃ ফাতেমা বেগমের স্বামী শাহিন উকিল জানায়, গত রবিবার ঐ চিকিৎসকের নিকট হতে জ্বর, এলার্জি, ব্যাথার ওষুধ নেয়। সেবনের পর চুলকানী ও ব্যাথাসহ তাপদাহ বেড়ে গিয়ে প্রায় মুত্যৃশয্যায় চলে যায়। তাৎক্ষনিক শ্বশুর হানিফ বেপারী পল্লী চিকিৎসকের নিকট জানালে তিনি বলেন- আমার করার কিছুই নেই অন্য ব্যবস্থা করেন। পরে পার্শ্ববর্তী চিকিৎসক রফিকুল ইসলাম এর পরামর্শে রোগী সুস্থ হয়।

এ ঘটনায় পরদিন হেসামদ্দী বাজার আওয়ামী লীগ অফিসে শালিস বসে। এতে উপস্থিত ছিলেন বাজার সভাপতি ফজলুর রহমান প্যাদা, রুহুল আমিন হাং, রহিম হাং, হারুন মীর সহ অনেকে। শালিস বৈঠকে চিকিৎসক তার ব্যর্থতার কথা স্বিকার করে ক্ষমা চেয়েছে বলে বৈঠক সূএে জানা গেছে।