গলাচিপায় স্বাস্থ্য বিধি অমান্য করায় পশুর হাট বন্ধ

গলাচিপা প্রতিনিধি, পটুয়াখালী।।
সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গলাচিপা উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের নলুয়াবাগী পশুরহাট বসানো হয়েছে। এতে দেখা দিয়েছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি। শুক্রবার (০৯ জুলাই) সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ওই হাটের খবর পেয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ নজরুল ইসলাম পশুর হাটটি বন্ধ করে দেয়। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বিষয়টি নিশ্চিত করন।

এলাকাবাসী সূত্রে জানাগেছে, সারা দেশে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ বৃদ্ধি পেলেও জমজমাট গোলখালী ইউিনিয়নের নলুয়াবাগীর পশুর হাট। হাটের ভেতর কোথাও কোন স্বাস্থ্য বিধি ও সামাজিক দূরত্ব মানা হয়নি। সকাল ৮ টা থেকে পশুর হাট শুরু করে সংশ্লিষ্ট ইজারাদার। বিরামহীনভাবে দুপুর নাগাদ চলছিল।

নলুয়াবাগী হাটে উপজেলার পক্ষিয়া গ্রামের পশুর পাইকারী ক্রেতা নাসির তালুকদার জানান, নলুয়াবাগী হাটে প্রতি সপ্তাহে কমক্ষে ৬০০ থেকে ৮০০ গরু বিক্রি হয়। এ হাটে সরকার নির্ধারিত ফি থেকেও ইজারাদার শাহ মেহেদী ফরহাদ অতিরিক্ত টাকা আদায় করার অভিযোগ দীর্ঘদিনের।

নলুয়াবাগী হাটের ক্রেতা আবুল হোসেন জানান, আমি ৬১ হাজার টাকা দিয়ে গরু কিনেছি। আমার কাছ থেকে ইজারাদার ৬০০ টাকা হাসিলের টাকা রেখেছে। এছাড়া বিক্রেতার কাছ থেকেও ২০০ টাকা রেখেছে। এ হাটে ইজারাদারের ইচ্ছে অনুযায়ী চলে। হাসিলের কোন রশিদের কপি দেয়া হয় না। ইজারাদার প্রভাবশালী হওয়ায় কোন প্রতিবাদ করেও লাভ হয়না।

স্থানীয় মহিষ বিক্রেতা মো. দেলোয়ার হোসেন জানান, শুক্রবার সকাল থেকে হাট শুরু হয়। দুপুর সাড়ে ১২ টায় প্রশাসন এসে বন্ধ করে দেয়। এ হাটের ইজারাদার কোন হাসিলের রশিদ দেয় না।

এ বিষয়ে জানার জন্য গোলখালী ইউপি চেয়ারম্যান মো. নাসির উদ্দিনের মোবাইলে একাধিকবার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এ প্রসঙ্গে গলাচিপা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা খবর পেয়ে নলুয়াবাগী হাটে উপস্থিত হয়ে পশুর হাট বন্ধ করে দিয়েছি। যারা হাট চালাচ্ছিল আমাদের যাওয়ার খবর পেয়ে পালিয়ে গেছে।