কাজীরহাটে ৯৯৯-এ ফোন করে নির্যাতন থেকে মুক্তি পেলেও আশ্রয় পায়নি স্বামীর বাড়ি

কাজীরহাট প্রতিনিধি।।
স্বামীর র্নিযাতনের আঘাত সইতে না পেরে মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) ৯৯৯ ফোন করলে কাজীরহাট থানা পুলিশের এসআই আবু সুফিয়ান উদ্ধার করে ১ সন্তানের জননী বীর মুক্তিযোদ্ধার কন্যা রহিমা বেগমকে বড় ভাই যুবরাজের নিকট পৌছে দিয়ে আসেন বলে অভিযোগ সূএে জানা গেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে বরিশাল জেলার কাজীরহাট থানাধীন আন্ধারমানিক ইউনিয়নের ২ নং ওর্য়াডের আন্ধারমানিক গ্রামে।

সূএ জানায়, ৫ বছর পূর্বে একই এলাকার মালেক খাঁনের ছেলে সুমন খাঁনের সাথে বিবাহ হয় বীরমুক্তিযোদ্ধ মরহুম হারুন অর রশিদের মেয়ে রহিমার। শুরু থেকেই যৌতুকের জন্য শারীরিক নির্যাতন করে। একপর্যায় নগদ এক লক্ষটাকা ৩ টি গহনা দিলেও শাররির নির্যাতন বন্ধ হয়নি। কিছুদিন পর বাবা বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। পরে সুমনের বাবা মালেক ও মা আনোয়ারা বেড়াতে এসে রহিমাকে নিয়ে যায়।

কিছুদিন সংসার ভালোই চলে। ৩ বছর অতিক্রম হলে পুএ সন্তান জম্ম হয়। সে থেকেই নির্যাতনের মাএা বেড়ে যায়। মেয়ের মা লালমতি বেগম ও ভাই যুবরাজ অভিযোগ তুলে বলেন, ৫ বছরে কোন বিচার পেলাম না আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হয়েও।

যুবরাজ বলেন, আমার ভগ্নিপতি একাধিক মামলার আসামী গত ২৯/৯/১৯ইং হিজলা থানাধীন বড়জালিয়া ৪ নং ওয়ার্ড থেকে এস আই ফারুকসহ সঙ্গীয় ফোর্স অভিযান চালিয়ে সুমন খাঁনের নিকট হতে ৩ শত পিছ ইয়াবা উদ্ধার করে। ঘটনায় হিজলা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে ২০১৮ এর ৩৬(১) এ সারনী মামলা হয়। মামলার নং ১৬ তাং ২৯/৯/১৯ ইং মামলার বাদী এস আই ফারুক। জামিন নিয়ে মাদকের আসামী বীরদর্পে ঘুরে বেড়ালেও বর্তমানে ইয়াবা ব্যবসায় জড়িয়ে পড়লেও পুলিশের ধরা ছোয়ার বাইরে। গত ১৩ জুলাই রহিমাসহ ভাই ও মা নির্যাতনের বিচারের দাবীতে কাজীরহাট থানা মূল ফটকের সামনে অবস্থান করে প্রতিনিধিকে এসব কথা জানিয়েছে।