আফগান পরিস্থিতি প্রতিবেশি দেশগুলোতে ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।

দীর্ঘ ২০ বছর পর আবারও আফগানিস্তানে সরকার গঠন করেছে তালেবান। যে পরিস্থিতিতে তারা ক্ষমতা দখল করেছে তাতে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির সার্বিক এই অবস্থা প্রতিবেশি দেশগুলোতে ছড়িয়ে পড়তে পারে। খবর প্রকাশ করেছে লেটেস্টএলউয়াই।

জেরুজালেম পোস্টে লেখা এক কলামে পলিটিক্যাল অ্যান্ড ফরেন অ্যাফেয়ার্স সেন্টারের (সিপিএফএ) আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পরিচালক কেলি আলখৌলি বলেন, তালেবানরা ক্ষমতা দখল করার পরই সেই সুবিধা নিয়ে কাবুল বিমানবন্দরে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসআইএস-কে।

তিনি বলেন, ‘বিদেশি বাহিনী যখন শান্তিপূর্ণভাবে তাদের নাগরিকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার কাজ করছিল ঠিক তখনই এই হামলা হয়। এতে কমপক্ষে ১৭০ জন নিহত এবং আরও ২০০ জন আহত হয়েছেন।

এই সন্ত্রাসী হামলা কেবল প্রত্যাহার মিশনকেই ক্ষতিগ্রস্ত করেনি, বরং তালেবান শাসনের অধীনে তারা যে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে সেটারও ইঙ্গিত দিচ্ছে।’

গত ৩১ আগস্ট সর্বশেষ বিদেশি বাহিনী হিসেবে আফগানিস্তানের মাটি ছেড়ে গিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্য দিয়ে দেশটিতে আনুষ্ঠানিকভাবে দীর্ঘ ২০ বছরের যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটলো।

মার্কিন বাহিনী চলে যাওয়ার পর তালেবানের সঙ্গে চীনের ঘনিষ্ঠতা প্রসঙ্গে কেলি আলখৌলি বলেন, বর্তমানে আফগানিস্তানে সৃষ্ট ভয়াবহ মানবিক সংকট ও ক্রমবর্ধমান সন্ত্রাসী হামলার হুমকির মধ্যেই তালেবানের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করছে বেইজিং। এমনকি তারা তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি দেওয়ারও ইঙ্গিত দিয়েছে।

এর আগে জুলাইয়ে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ওয়াই ইনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন তালেবানের অন্যতম শীর্ষ নেতা মোল্লা বারাদার।