জেল থেকে বের হয়েই বাদির বাড়িতে আসামিদের সন্ত্রাসী হামলা, আহত ৩

মামুন হোসেন, ভান্ডারিয়া (পিরোজপুর)।।
জেল থেকে বের হয়েই মামলার বাদীর বাড়িতে হামলা চালিয়ে বাদীর স্ত্রী, ছেলে ও ছেলের বউকে আহত করেছেন আসামী পক্ষ। সোমবার (০১ নভেম্বর) সকাল ৭ টার দিকে রাজাপুর উপজেলার নারিকেল বাড়ীয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে ৮ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন নারিকেল বাড়ীয়া এলাকার মৃত মোকলেছ উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে আমজেদ আলী হাওলাদার। মামলায় একই এলাকার মৃত হাছেন আলী হাওলাদারের ছেলে আঃ রহিম, মো ঃ লোকমান,মো ঃ ফোরকান,আঃ রহিম হাওলাদারের স্ত্রী আনজিরা খাতুন,ছেলে জসিম ও আসলাম, মৃত মোকলেছ উদ্দিনের ছেলে ইউসুব আলী এবং ইউসুব আলীর স্ত্রী তাসলিমা বেগমকে আসামী করে মোকাম ঝালকাঠি সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যোজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় জেল খেটে জামিন পেয়ে আঃ রহিম, আসলাম,ইউসুব আলী সহ দলবল নিয়ে আমজেদ আলী হাওলাদারের স্ত্রী জাহানারা বেগম ও ছেলে ডালিম হাওলাদার (৩৫), ডালিম হাওলাদারের স্ত্রী হনুফা আক্তার হেপী (৩০) কে এলোপাথরী কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

আহত ডালিম হাওলাদার বলেন,পাশের বাসার টিউওবয়েল থেকে হাত মুখ ধুয়ে আমার ঘরের সামনে আসতেই পিছন থেকে হাছেন আলীর ছেলে আঃ রহিম,আঃ রহিমের ছেলে জসিম, আসলাম,মৃত ফিরোজ আলীর ছেলে মৈয়র আলী,রহিমের স্ত্রী আনজিরা খাতুন,রহিমের মেয়ে মালা,ইউসুব আলী ও তার স্ত্রী তাসলিমা সহ অজ্ঞাত ৫/৭ জন লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাকে পিটিয়ে আহত করে। আমার চিৎকার শুনে আমার স্ত্রী হনুফা ও আমার মা আমাকে বাঁচাতে আসলে তাদেরকে এলোপাথারী কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করে। আমার পিতাকে ঘরের দরজা বন্দ করে আটকে রাখে। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে আমাদের রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডালিম ও স্ত্রী হনুফার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

এ বিষয়ে রাজাপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.শহিদুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় অভিযোগ পেয়েছি। মামলার প্রস্তুতি চলছে।