ওসি প্রদীপ ও লিয়াকত যেন জীবন্ত লাশ

আইন আদালত।।
কক্সবাজারে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খানকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ফাঁসির রায় শুনে চোখে পানি নিয়ে মলিন চেহারায় চুপচাপ এজলাসের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে ছিলেন সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ। তার চেহারা দেখে মনে হয়েছে, তিনি কিছু বলতে চাইলেও যেনও মুখ থেকে কোনও কথা বের হচ্ছে না। এক কথায়, ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের রায় শুনে তিনি যেন একটি জীবন্ত লাশ বনে গেছেন। প্রায় একই চিত্র দেখা গেছে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ইন্সপেক্টর লিয়াকত আলীর চেহারাতেও।

প্রত্যক্ষদর্শী আইনজীবী ও সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্যই জানা গেছে। সোমবার বিকেল ৪টা ২১ মিনিটে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইল এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে বিচারক এপিবিএন’র ৩ সদস্যসহ ৭ জনকে খালাস দেন। এ ছাড়াও এসআই নন্দ দুলালসহ ৬ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেন।

এদিকে, সিনহা হত্যা মামলায় রায়ের পর মামলার বাদী ও নিহতের বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস বলেছেন, আমাদের প্রত্যাশা অনেকখানি পূরণ হয়েছে, সন্তুষ্টির জায়গাটা সেদিন বলবো যেদিন এটা কার্যকর হবে।

সোমবার (৩১ জানুয়ারি) অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা হত্যা মামলায় বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও পরিদর্শক লিয়াকত আলীর মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মামলায় তদন্ত সংস্থা এবং প্রসিকিউশসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, দেশে যে আইনের শাসন আছে তাতে মানুষ আশাবাদী হবে। প্রধান দুই আসামির এমন শাস্তি না হলে আমরা অবাক হতাম। আদালত চুলচেরা বিশ্লেষণ করে রায় দিয়েছেন। আমাদের প্রত্যাশা অনেকখানি পূরণ হয়েছে, সন্তুষ্টির জায়গাটা সেদিন বলব যেদিন এটা কার্যকর হবে।