ভান্ডারিয়ায় জমি দখলের পর পাকা ভবন নির্মানের অভিযোগ

ভান্ডারিয়া প্রতিনিধি।।
পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার ভিটাবাড়ীয়া ইউনিয়নের উত্তর শিয়ালকাঠী গ্রামে আদালতের আদেশ অমান্য করে পাকা ভবন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গত ১১ ফেব্রুয়ারী পিরোজপুর বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে শান্তি সৃঙখলা রক্ষায় ১৪৪ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন মমিন মোল্লার ছেলে ভুক্তভোগী মামুন মোল্লা। আদলত গত ২৪ ফেব্রুয়ারী ওই জমিতে শান্তি রক্ষার ও আইনগত ব্যবস্থার জন্য ভান্ডারিয়া থানাকে একটি আদেশ দেয়। মামলা নং ২৪০।

ভুক্তভোগী মামুন মোল্লার অভিযোগ ও তার মামলা সুত্রে জানা যায়, প্রতিপক্ষরা কোন আইন আদালত মানছেনা। ওই জমিতে উভয় পক্ষকে শান্তি সৃ্খংলা বজায় রাখার জন্য পিরোজপুর বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের বিচারক কোন প্রকার কাজ করেতে নিষেধ করলেও সেই আদেশ অমান্য করে উক্ত শান্তিপূর্ণ দখলীয় সম্পত্তিতে গায়ের জোড়ে প্রবেশ করে পাকা ভবন করছেন একই গ্রামের মৃত আনছার আকনের ছেলে হাবিব আকন,দুলাল আকন, রব হাওলাদারের ছেলে খালেক আকন,সেলিম শিকদারের ছেলে রিয়াজ সিকদার, নুর ইসলামের ছেলে মজিবুর রহমান,সোবহানের ছেলে জাকির হাওলাদার, আ: হক আকনের ছেলে বশির মিয়া,মাসুম বিল্লা ও ইউনুস সহ তার দলবল। এ সময় আমার বোন নিলুফা বাধা দিতে তাকে খুন জখম সহ প্রান নাশের হুমকি দেয় তারা।

এতে বোন নিলুফা ভা-ারিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে। কিন্তু তাতে কোন লাভ হয়নি। উল্টো ক্ষিপ্ত হয়ে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত ১৩ ফেব্রুয়ারী ভা-ারিয়া থানায় একটি মিথ্যা ও হয়রানি মূলক মামলা দায়ের করে অবৈধ ভাবে পাকা ভবন নির্মানকারী রিয়াজ সিকদারের বড় বোন নুপুর সিকদার। ওই মামলায় আমার মা বোন সহ বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এমাদুল মাঝী,রাজিব শরীফ,মামুন মোল্লা,সুমাইয়া আক্তার,মারুফা আক্তার,তাসলিমা বেগমকে আসামী করা হয়।

এ বিষয়ে এমাদুল মাঝী জানান, আমি একজন ভান্ডারিয়া বন্দর ব্যবসায়ী। এ জমির বিরোধ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। হয়তো পারিবারিক পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আমার নামে মিথ্যা মামলা দিয়েছে।

এ ঘটনায় নুপুর শিকদারের দায়ের করা মামলায় বলেন , ওই জমি ক্রয় সুত্রে তার ভাই রিয়াজ শিকদার মালিক। জমি ক্রয়ের পর থেকে ভোগ দখল করে আসছি এবং ইতোপূর্বে পাকা ভবনের কাজ চলছে । বর্তমানে ছাদ ডালাইয়ের কাজ চলছে। কিন্তু বিবাদীরা আমাদের ওপর হামলা করে আসছে।