ভান্ডারিয়ায় বসতঘর ভেঙে নেওয়ার অভিযোগ প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে!

ভান্ডারিয়া প্রতিনিধি।।
প্রকাশ্য দিবালকে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় সৌদী প্রবাসীর একটি কাঠের বসতঘর ভেঙে নেওয়াসহ ঘরের অসবাপত্র লুটে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রভাবশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। ওই প্রবাসীর ঘর ভেঙে প্রথমে স্থানীয় খালে ফেলে দেয় প্রভাবশালীরা।পরে খালে থাকা ঘরের স্থাপনার কোন হদিসও পাইনি ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার পৌর শহরের নিজ ভান্ডারিয়া ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চারাবাজার।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী প্রবাসী শিমুল হোসেনের শশুর ইয়াছিন হাওলাদার বাদী হয়ে তৎক্ষনিক ভান্ডারিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও এখন পর্যন্ত কোন সহযোগিতা পাননি।বুধবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ইয়াছিন হাওলাদার এক অভিযোগে জানায়, এস.এ- ১৯৬৯ নং খতিয়ানের ৬৩২ ও ৬৩৩ নং দাগের মধ্য প্রতিপক্ষের কোন সত্ত নেই ঘরখানা ছিলো ৬৩২ দাগে যেখানে তাদের কোন জমি নেই। ক্রয়সূত্রে মালিক প্রবাসী শিমুল হোসেন। তার স্ত্রী ইসরাত জাহান ইসাকে নিজের ক্রয়কৃত জমিতে বসতঘর নির্মানের জন্য টাকা পাঠালে স্ত্রী তার বাবাকে নিয়ে ওই জমিতে একটি কাঠের বসতঘর নির্মান করেবসবাস করে আসছে। কিন্ত পার্শ্ববতী প্রতিপক্ষ কাদের হাওলাদারের ছেলে ইব্রাহীম হাওলাদার, গিয়াস উদ্দিন, মো: সজিব হাওলাদার, এবং মৃত আমজেদ আলী হাওলাদারের ছেলে ওয়ালিদ হাওলাদার, কাদের হাওলাদার ও তার স্ত্রী মমতাজ বেগম ওই বসতঘরের জমি দাবি করে দখলে নেয়ার জন্য প্রায় সময় ধরে পায়তারা চালাতো। প্রবাসীর স্ত্রী ও তার মা ঘরে থাকা অবস্থায় প্রতিপক্ষরা দেশীও অস্ত্রসহ হামলার প্রস্ততি নিলেওই এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। তাৎক্ষনিক প্রবাসীর স্ত্রী মোবাইল ফোনের মাধ্যমে থানা পুলিশকে জানালে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছায় এবং স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ পুলিশ সদস্যরা ওই পরিবারকে ঘরে তালা দিয়ে কিছুদিন অন্যত্র থাকার পরামর্শ দেয়। তাদের কথা মত স্ত্রী ইসরাত কিছুদিনের জন্য অন্যত্র চলে যান। বসত ঘরটি ফারুক মুন্সী ও কুদ্দুস মোল্ল এবং স্থানীয় অন্যান্য গণ্যমাণ্য ব্যক্তিদের সম্মূখে পুলিশ ঘরটি তালাবদ্ধ করে পুলিশের জিম্মায় চাবিটি নিয়ে যায়। প্রতিপক্ষরা কোন কিছুই তোয়াক্কা না করেগত ২ জানুয়ারী সকালে বসতঘরটি ভেঙে পাশের খালে ফেলে দেয় এবং ঘরে থাকা প্রয়োজনীয় মালামাল ও আসবাপত্র লুটপাট করে নিয়ে যায়।যার মুল্য ১ লাখ ২০ হাজার এবং প্রবাসীর ঘর ভেঙে ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ক্ষতি সাধন করে।

প্রকাশ থাকে যে, উল্লেখিতসম্পত্তির ক্রয়সূত্রে মালিক মাসুম মল্লিক এবং ওয়ারিশসূত্রে এবং ক্রয়কৃত মালিক মোঃ সাহেব আলী হাওলাদার তাদেরকেও প্রতিপক্ষরা অনবরত বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়ে আসছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারগুলো স্থানীয় প্রশাসন ও সাংবাদিকদের কাছে সহযোগিতা চেয়েছেন।