মুলাদী বন্দরে ব্যবসায়ীর ১১ লাখ টাকার সয়াবিন আত্মসাত

ভূঁইয়া কামাল, মুলাদী (বরিশাল)।।
বরিশালের মুলাদী উপজেলার মুলাদী বন্দরের এক ব্যবসায়ীর ১১ লাখ টাকার সয়াবিন আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ট্রান্সপোর্ট মালিক ও ট্রাক চালক যোগসাজশে বন্দরে ব্যবসায়ী ফরিদ আকনের সাড়ে ৭টন সয়াবিন গায়েব করে আত্মসাত করেছেন বলে ওই ব্যবসায়ী অভিযোগ করেছেন।

জানা গেছে, ফরিদ আকন লক্ষীপুর জেলার বিসিক শিল্প নগরী চৌধুরীর অটো রাইচ মিলে সাড়ে ৭টন সয়াবিন পাঠান। মুলাদী উপজেলার সাথে লক্ষীপুরের সড়ক যোগাযোগ না থাকায় তিনি ট্রলারে করে সয়াবিন চাঁদপুরে ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেনের কাছে পাঠান। দেলোয়ার হোসেন ১জুন ওই সয়াবিন গ্রহণ করেন এবং তিনি ট্রাকে করে লক্ষীপুর পাঠানোর দায়িত্ব নেন।

১জুন বেলা ১টার দিকে ট্রাকে সয়াবিন তুলে দেওয়ার দাবি করেছেন ট্রান্সপোর্ট মালিক দেলোয়ার হোসেন। বিকেলের মধ্যে ট্রাক চালকের গন্তব্যস্থলে পৌছে যাওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ট্রাক চালক সোহেল রানা সয়াবিন পৌছে দেননি।

ফরিদ আকন বলেন, বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ট্রান্সপোর্ট মালিক জানিয়েছেন ট্রাক চালকের মোবাইল ফোন বন্ধ পাচ্ছেন। পরে তিনি চাঁদপুর মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। একজন অপরিচিত ট্রাক চালকের কাছে এতগুলো টাকার সয়াবিন দেওয়ার বিষয়টি রহস্যজনক। ট্রান্সপোর্ট মালিক ও ট্রাক চালক সয়াবিন আত্মসাতের চেষ্টায় এই নাটক সাজাতে পারেন বলে ব্যাবসায়ী মনে করেন।

এব্যাপারে সাকিব ট্রান্সপোর্টের মালিক দেলোয়ার হোসেন বলেন, ১ জুন ফরিদ আকনের পাঠানো সয়াবিন পেয়েছি। ওই দিন বেলা ১টার দিকে ট্রলার থেকে তুলে সয়াবিন ট্রাকে উঠাই। বিকেলের মধ্যে ট্রাক চালকের গন্তব্যে পৌছানোর কথা। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ট্রাক চালক সোহেল রানার সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করলে তিনি রায়পুরা নামক স্থান পার হয়েছে বলে জানান। এর কিছুক্ষণ পরে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তার নম্বর বন্ধ পাওয়ায় সম্ভাব্য সকল জায়গায় খোঁজ নিয়ে ট্রাক চালক কিংবা ট্রাক মালিকের সন্ধান না পেয়ে সাধারণ ডায়েরি করেছি।