মঠবাড়িয়ায় ভ্রুণ হত্যার অভিযোগে মামলা, ৩ জন নারী কারাগারে

মঠবাড়িয়া প্রতিনিধি, পিরোজপুর।।
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় হালিমা বেগম (২৭)নামের এক অন্তঃসত্তা গৃহবধূর পাঁচ মাসের পেটের ভ্রæন হত্যার অভিযোগে ছয় জনকে আসামী করে একটি ভ্রুন হত্যার অভিযোগে মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) দুপুরে আসামী মধ্য তুষখালী গ্রামের আঃ মান্নানের স্ত্রী কহিনুর বেগম (৪৫), একই গ্রামের আঃ রহমান সোনিয়া বেগম (৩০) ও আঃ রহমান আকলিমা বেগম (৪০) মঠবাড়িয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিট্রেট আদালতে হাজির হলে আদালত ৩ নারী আসামীর জামিন না মঞ্জুর করে তাদেরকে ভ্রæন হত্যা মামলায় জেল হাজতে পাঠান।

জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সোমবার (১৫ আগস্ট) গুরুতর অসুস্থ হালিমা বেগমের বোন ফাতিমা বেগম বাদী হয়ে মঠবাড়িয়া থানার এ মামলা করেন। হালিমা বেগম মধ্য তুষখালী গ্রামের আঃ ছত্তারের মেয়ে ও একই গ্রামের মনির হোসেনের স্ত্রী।

মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আহত হালিমা বেগম ও তার বোন ফাতিমা বেগম মধ্য তুষখালী গ্রামে পৈত্রিক ফরায়েজকৃত জমি ও অন্য মালিকানাধীন জমি কিনে দীর্ঘ দিন ধরে বসবাস করে আসছিল। জীবিকার জন্য হালিমার স্বামী ফেনী শহরে দিনমজুরের কাজ করে। প্রতিপক্ষ আঃ রহমান গংরা দুই বোন হালিমা বেগম ও ফাতিমা বেগমকে উৎখাতে চেষ্টা চালাচ্ছিল। এ ঘটনায় একাধিক মামলাও চলমান রয়েছে।

ঘটনার দিন গত (৮ই আগস্ট) সোমবার সকালে প্রতিপক্ষ মধ্য তুষখালী গ্রামের মৃত আঃ মজিদ আঃ রহমান (৫০), মৃত আঃ জব্বারের পুত্র মোঃ মনির (৩২), মৃত আঃ মজিদ মোঃ মান্নান (৫৩)সহ ওই তিন নারী মিলে হালিমাকে এলোপাথাড়ি পিটিয়ে, ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করাসহ তাঁর পেটে একাধিক লাথি মারে এবং বাড়ির মালামল ভাংচুর করে। এসময় হালিমার নাবালক ছেলে মেয়ে বাঁধা দিলে তাদেরকেও মেরে জখম করে। সংবাদ পেয়ে মঠবাড়িয়া থানা পুলিশ গুরুতর আহত হালিমাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি করেন। এতে হলিমার পেটের পাঁচ মাসের বাচ্চা নষ্ট হয়ে যায়।

মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহা, নুরুল ইসলাম বাদল মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অন্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।