মুলাদীতে ভাঙা সেতু দিয়ে পারাপার হতে জনগণের ভোগান্তি

ভূঁইয়া কামাল মুলাদী (বরিশাল)।।
বরিশালের মুলাদী সদর ইউনিয়নের দড়িচর লক্ষীপুর গ্রামে ছয়-সাত বছর আগে একটি লোহার সেতু নির্মাণ করা হলে এক বছর পরই সেতুর দুই পাশের লোহার খুঁটি দেবে যায় এবং পাটাতন হেলে পড়ে। সেতুটি সংস্কার না হওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে চলতে হচ্ছে স্থানীয়দের এবং দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে সেতুটি।

স্থানীয় আবদুল খালেক ও জয়নাল আবেদীন বলেন, সেতুটি ভেঙে যাওয়ার পর চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিকল্প যাতায়াতের পথ না থাকায় বাঁশ ও গাছ দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। এই সেতু দিয়ে এলাকার ছেলেমেয়েদের প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাজিরচর (খাসেরহাট) মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় যাতায়াত করে। একই গ্রামের বাসিন্দা খলিলুর রহমান বলেন, খাসেরহাট, মুলাদী বাজার কিংবা খেত-খামারে কাজে যেতে হলে সেতুটি পার হতে হয়। এটি ভেঙে যাওয়ায় ভ্যান চলাচল করতে পারছে না। অনেক কষ্টে মাথায় করে মালামাল পরিবহন করতে হচ্ছে। গরু, ছাগল পারাপারে অনেক ভোগান্তি হয়।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য মোঃ শাকায়েত হোসেন মল্লিক বলেন, সেতুটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এটি ভেঙে যাওয়ার পর আর সংস্কার না করায় মানুষজন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। সেতুটি সংস্কারের জন্য ইউনিয়ন পরিষদের সভায় উপস্থাপন করা হবে।
ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ কামরুল আহসান বলেন, কাঠেরপুল এলাকায় পুরোনো সেতু ভেঙে একটি নতুন সেতু নির্মাণের চেষ্টা চলছে। এ জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে চাহিদা দেওয়া হয়েছে। নতুন সেতু নির্মাণে বিলম্ব হলে ভাঙা সেতুটি দ্রæত সংস্কারের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল দপ্তরের প্রকৌশলী মোঃ তানজিলুর রহমান বলেন, ইউপি চেয়ারম্যানের চাহিদা অনুযায়ী বরাদ্দপ্রাপ্তির জন্য বরিশাল নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তরে কাগজপত্র পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলে সেতু নির্মাণ করা হবে।