জেরুজালেমে গুলি চালাল ১৩ বছরের ফিলিস্তিনি কিশোর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।
ফিলিস্তিনের ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরের গুলিতে এক বাবা ও তাঁর ছেলে আহত হয়েছেন। শনিবার (২৮ জানুয়ারি) পূর্ব জেরুজালেমে এ ঘটনা ঘটেছে। এর কয়েক ঘণ্টা আগে পূর্ব জেরুজালেমে একটি সিনাগগের বাইরে বন্দুকধারীর হামলায় কমপক্ষে সাতজন নিহত হন। এ হামলাকে বিগত কয়েক বছরের মধ্যে প্রাণঘাতী বলা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আহ্বান উপেক্ষা করে ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলের মধ্যে প্রাণঘাতী সংঘাতের ঘটনা যে বাড়ছে, একই দিনে দুই হামলা তার নজির।

পুলিশ জানিয়েছে, আজ সকালে সিলওয়ান নামক এলাকায় ফিলিস্তিনি কিশোরের গুলি করার এ ঘটনা ঘটে। কিশোরের গুলিতে আহত ব্যক্তির বয়স ৪৭ বছর। এ ছাড়া গুলিবিদ্ধ হয়েছেন তাঁর ২৩ বছর বয়সী ছেলে। পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্র বলেছে, বুকে গুলি লাগার পর তাঁদের দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এর আগে শুক্রবার দিবাগত রাতে একটি সিনাগগের বাইরে গুলির ঘটনায় সাতজন নিহত হন। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ৪২ জনকে গ্রেপ্তারের কথা জানায় পুলিশ।

পুলিশ বলছে, ২১ বছর বয়সী এক ফিলিস্তিনি তরুণ নেভে ইয়াকভ এলাকার সিনাগগের বাইরে এ হামলা চালান। ঘটনার দিন একটি গাড়ি ওই সিনাগগের সামনে থামে। গাড়ি থেকে একজন বেরিয়ে এসে গুলি ছুড়তে থাকেন। গাড়িতে আরও একজন ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। বন্দুকধারীর খোঁজে তল্লাশি অব্যাহত আছে।

দখলকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানে এক বৃদ্ধাসহ ৯ ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ার এক দিন পর পূর্ব জেরুজালেমে এ দুই বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটে। দুই দশকে সবচেয়ে প্রাণঘাতী এ অভিযানের পর ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলে রকেট হামলা শুরু হয়। ইসরায়েলও পাল্টা বিমান হামলা চালায়।

ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে সহিংসতার ঘটনায় মৃত্যুর হিসাব দিয়েছে এএফপি। তাতে দেখা যাচ্ছে, ২০২২ সালে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে সহিংসতায় অন্তত ২০০ জন ফিলিস্তিনি ও ২৬ জন ইসরায়েলি নিহত হয়েছেন। প্রাণঘাতী এসব সংঘাতের বেশির ভাগই হয়েছে ইসরায়েলের দখল করা পশ্চিম তীরে।