মঠবাড়িয়ায় মন্দিরের জমি ভূয়া নিলাম দেখিয়ে বিক্রির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

মঠবাড়িয়া প্রতিনিধি (পিরোজপুর)।।
পিরোজপুরের মঠবাড়িযায় কবুতরখালী গ্রামের শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ জিউর মন্দিরের ১.৬৪(এক দশমিক চৌষট্টি শতাংশ) জমির ভূয়া নিলাম দেখিয়ে বিক্রি ও অবৈধভাবে দখল চেষ্ঠার অভিযোগ পাওয়া গেছে।এ ব্যাপারে ওই মন্দিরের সেবাইত দুলালী রানী মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে মঠবাড়িয়া প্রেসক্লাব এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন।

লিখিত বক্তব্যে দুলালী রানী বলেন-ওই গ্রামে প্রায় সত্তুর বছরের পূরানো ওই মন্দিরে স্থানীয় নারায়ন চন্দ্র হালদার ও জামিনী কান্ত হালদারের ১শ’৬৪ শতাংশ জমি দান করেন। ওই জমি দক্ষিণ সোনাখালী গ্রামের বাসিন্দা সন্তোষ কুমার রায় জীবিত থাকাকালে গোপনে নিলাম করে। পরে ওই সম্পত্তি নিলাম দাবী করে তার চার ছেলেকে দানপত্র দলিল প্রদান করেন। সেই দলিল বলে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি অফিস হতে নামজারী করে বিক্রি ও দখলের পায়তারা করে। অভিযোগে আরও বলা হয় ওই দান পত্র দলিল বলে চার পুত্র সম্প্রতি ২৬ শতাংশ জমি স্থানীয় তমা রানী হালদারের কাছে ৩ লক্ষ টাকায় বিক্রি করে। এছাড়াও মন্দিরের জমি দাবী করে প্রায়ই তার চার ভাই মিলে হামলা দিলে সন্ধ্যা পূজা, জন্মাষ্টমি, রাধা অষ্টমিসহ ধর্মীয় অনুষ্ঠান ব্যাহত হচ্চে।এজন্য স্থানীয় শালিশ বৈঠক করেও তারা বৈধ কোন কাগজ পত্র দেখাতে পারেনি।তারা সংশ্লিষ্ট পিরোজপুর নকলখানায় তল্লাশী করে নিলামের কোন কাগজ পত্র পাওয়া যায়নি।

আরও অভিযোগ করেন-সন্তোষ রায়ের মৃত্যুর পর তার চার পুত্র বাকী একশ’ ৩৮ শতাংশ জমি বিক্রি ও অন্যায়ভাবে দখলের চেষ্ঠা করছে। এজন্য ওই আশ্রমের জমি রক্ষায় উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছে।

এ ব্যাপারে প্রতিপক্ষ সুকুমার রায় মন্দিরের জমি ভূয়া নিলাম করা ও বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন-প্রতিপক্ষদের জমি নিয়ে বিরোধ থাকায় আমাদের মিথ্যা অভিযোগ এনে হয়রানী করছে।